
তদন্তে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানা যায়, অপহরণের পর তাকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্কয়ার নার্সিং হোম ক্লিনিকের দিকে নেওয়া হয়েছিল। ক্লিনিকের ফুটেজে লিপি ও নাসরিনকে শিশুটির হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখা গেলেও পরবর্তীতে আর কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি।
নাসরিন ও লিপি শিশুটিকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু বিক্রি করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয় থানা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে ওই শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে দিয়ে আসে। সেখানেই এতদিন শিশুটি অবস্থান করছিল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির বাবা রিকশাচালক এবং মা বাসাবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে বাবা ও ছেলে বায়োজিদকে ঘুমে রেখেই কাজে চলে যান শিশুটির মা। পরবর্তীতে দুপুরে ঘুম থেকে জেগে বাবা দেখতে পান যে বায়েজিদ ঘরে নেই। দীর্ঘসময় খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত রূপনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের মানসিক চিকিৎসক ইসমত আরা মিতা জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বাসন থানা পুলিশ শিশুটিকে তাদের এখানে দিয়ে যায়। তারা জানায়, আগের দিন রাতে পথ থেকে উদ্ধার করা হলেও অভিভাবকের সন্ধান না মেলায় শিশুটিকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
চেয়ারম্যান: মো. আল আমীন ,সহ সম্পাদক: মো. এনামুল হক ,প্রধান প্রতিবেদক: তানভীর সিদ্দিকী
ঠিকানা: হোল্ডিং-৩৩৯, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ফরিদাবাদ, ঢাকা- ১২০৪।
Copyright © 2026 ANEWS24. All rights reserved.