
পানি ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সংলাপ প্রয়োজন বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির এ বিষয়ে জবাব পাওয়া যেতে পারে। এরপর দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে পরবর্তী দফার পানিচুক্তি নবায়নের পথ প্রশস্ত হবে।’
পানিবণ্টন নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের অবস্থান বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি বলেও জানান তিনি। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আলোচনা, ডায়ালগ এবং কূটনীতির মাধ্যমেই কেবল এই বিষয়গুলো সমাধান করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক আইনের যে অবস্থানগুলো রয়েছে, সেগুলোকেও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সহযোগিতার মানসিকতা থাকলে পানি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধান সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
দেশের ভবিষ্যৎ সংকট ও বিষয়গুলো মোকাবিলায় প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা অতীত বা সাধারণ ধারার মতো কাজ না করে গুণগত উপায়ে দেশের ভবিষ্যতের সংকট ও বিষয়গুলো মোকাবেলা করতে চাই।’