1. admin@anews24.tv : ANEWS24 TV : ANEWS24 TV
পীরগাছার নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলে পরিচালনা নিয়ে বিরোধ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে উত্তেজনা - ANEWS24
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ফতুল্লায় সংবাদ প্রকাশের জেরে: সাংবাদিক রাসেল কে হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কখন পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন, জানালেন ইশরাক লালমনিরহাট সীমান্তে ১৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি মেট্রো রেলের প্যাকেজ-৩ চলতি মাসে চার স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে : নেহা বোরা

পীরগাছার নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলে পরিচালনা নিয়ে বিরোধ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে উত্তেজনা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের পীরগাছার নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলের পরিচালনা, শিক্ষক নিয়োগ, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটিতে দেখা দিয়েছে দীর্ঘদিনের বিরোধ। এর প্রভাব পড়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও। একপর্যায়ে একাধিক শিক্ষক প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে এসে অন্যত্র শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অভিযোগ, একসময় প্রতিষ্ঠানটি কোচিং সেন্টার হিসেবে কার্যক্রম শুরু করলেও শিক্ষার মান ও ফলাফলের কারণে পরবর্তীতে তা স্কুলে রূপ নেয়। প্রতিষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের সময় শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ মালিকানা ও আর্থিক অংশীদারিত্ব নিয়ে কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন কয়েকজন শিক্ষক।

তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষকদের বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রতিষ্ঠানের জন্য জমা রাখা হতো। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল এবং সরকারি পুরস্কারের অর্থসহ এসব অর্থ দিয়ে একটি জমি কেনা হয়। কিন্তু জমিটি প্রতিষ্ঠানের নামে, নাকি ব্যক্তির নামে হবে, তা নিয়েই প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চারজন। তাদের মধ্যে প্রধান শিক্ষক জমিটি কোনো ব্যক্তির নামে না করে প্রতিষ্ঠানের নামে করার পক্ষে ছিলেন। তবে অপর তিন প্রতিষ্ঠাতা জমিটি নিজেদের নামে করার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই বিরোধের মধ্যেই কয়েকজন শিক্ষককে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই প্রতিষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রধান শিক্ষক বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর। অভিভাবকদের দাবি, হঠাৎ করে বিএনপির কয়েকজন নেতাকে প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসা হয় এবং পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গাকে স্কুলের সভাপতি করা হয়।

অভিভাবকদের একটি অংশের অভিযোগ, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চান না। তাদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এদিকে, বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ও সমর্থক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং হামলার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় বলে তাদের দাবি।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
শিক্ষককে ঘিরে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিষ্ঠানটির একজন শিক্ষক ইউসুফকে ঘিরেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই শিক্ষক একসময় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় জড়িয়েছিলেন। ওই ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তার ক্লাস করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিল বলে দাবি করা হয়।

অভিভাবকদের ভাষ্য, ওই ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক তাকে স্কুলের নিয়মিত পাঠদানের দায়িত্বে না রেখে আবাসিক শাখার দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষক প্রতিষ্ঠাতাদের একজনের আত্মীয় হওয়ায় তাকে আবারও স্কুলের কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, পরিবার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করা জরুরি।

প্রধান শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্ব ও নিয়ম-কানুন অনুসারেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। তার সময়ে শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফলও করছিল। সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ষষ্ঠ এবং রংপুর অঞ্চলের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।
এ ফলাফলের পর প্রতিষ্ঠানটি সরকারি পর্যায় থেকে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
অভিভাবকদের প্রশ্ন, যে শিক্ষক ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন ফলাফল এসেছে, তাদের কেন হঠাৎ প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো?

২১ শিক্ষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ
বিরোধের একপর্যায়ে প্রায় ২১ জন শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাদের অপমানজনক ভাষায় কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা।

শিক্ষকদের দাবি, তাদের বলা হয়, “আপনারা তো কামলা, আপনাদের কোনো অধিকার নেই। কামলার মতো থাকবেন।”
শিক্ষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ভূমিকা রাখার পরও তাদের এভাবে অপমান করা হয়। এতে তারা নিজেদের সম্মান ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
ছাত্রীদের অপদস্থ করার অভিযোগ

পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি দশম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রকে আন্দোলনকারী ছাত্রীদের অপদস্থ করার নির্দেশ দেন।
অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে কয়েকজন ছাত্রীকে দোতলায় একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে রাখা হয়। বাইরে থাকা কয়েকজন ছাত্র তাদের উদ্দেশে ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক কথা বলে বলে অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ঘটনাটি সত্য হলে এটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

শিক্ষকদের সঙ্গে অভিভাবকদের নতুন উদ্যোগ
প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে আসার পর একদল অভিভাবক শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ান। তাদের দাবি, শিক্ষকরা যেখানে গিয়ে পাঠদান করবেন, তারা তাদের সন্তানদেরও সেখানে পাঠাবেন।

এরপর একটি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পাঠদান শুরু করেন ওই শিক্ষকরা। সেখানে প্রায় ১৭৮ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা শুরু করে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

তবে অভিযোগ রয়েছে, সেখানেও কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মী গিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করেন। পরে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে ঘটনাস্থলে আসেন।

এসিল্যান্ডের পরামর্শে ইউএনওর কাছে শিক্ষক-অভিভাবকরা
পরিস্থিতি নিয়ে একপর্যায়ে অভিভাবক ও শিক্ষকরা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে কথা বলেন। তাদের বক্তব্য শোনার পর তিনি সবাইকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গিয়ে বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেন।

পরে শিক্ষক ও অভিভাবকদের একটি দল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করে পুরো পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা কোনো কোচিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন না। তারা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করছেন এবং প্রতিষ্ঠানটিকে স্কুল হিসেবেই পরিচালনা করতে চান।

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তারা অনুমোদন ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

শিক্ষকদের বক্তব্য, একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী, শ্রেণিকক্ষ, বেঞ্চসহ অবকাঠামোগত বিষয় দেখানো প্রয়োজন। তারা প্রশাসনের সহযোগিতা ও নিয়ম মেনে অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি বিধি-বিধান মেনে কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে বন্ধ না হয়, সে বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার ও শনিবার পূর্ণ সময় ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অভিভাবকদের প্রশ্ন, ভবিষ্যৎ কী?
নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলের বিরোধ এখন শুধু প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম, অভিভাবকদের আস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিচালনা নিয়েও।

অভিভাবকদের প্রশ্ন, শিক্ষকদের বেতন থেকে দীর্ঘদিন ধরে যে অর্থ নেওয়া হয়েছে, সেই অর্থের হিসাব কী? সরকারি পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে? যে জমি কেনা হয়েছে, সেটি কার নামে? প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও পরিচালনার আইনগত কাঠামো কী? প্রধান শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বৈধতা কী? এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত কোথায়?

অভিভাবকদের দাবি, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নয়, বরং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

তাদের আরও দাবি, শিক্ষকদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন, জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, পরিচালনা কমিটি গঠন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব অভিযোগ প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত করা হোক।

অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্তৃপক্ষ, সভাপতি, অভিযুক্ত শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনের পরবর্তী অংশে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

এ ক্যাটাগরীর অন্যান্য খবর..