1. admin@anews24.tv : ANEWS24 TV : ANEWS24 TV
ক্যানসার নিয়ে ভয়ে আছেন? যেসব খাবার আপনাকে সুরক্ষা দেবে - ANEWS24
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ফতুল্লায় সংবাদ প্রকাশের জেরে: সাংবাদিক রাসেল কে হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কখন পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন, জানালেন ইশরাক লালমনিরহাট সীমান্তে ১৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি মেট্রো রেলের প্যাকেজ-৩ চলতি মাসে চার স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে : নেহা বোরা

ক্যানসার নিয়ে ভয়ে আছেন? যেসব খাবার আপনাকে সুরক্ষা দেবে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত
বর্তমান সময়ে ক্যানসার নিয়ে ভয়ে থাকেন অনেকেই। কারণ সময়ের সঙ্গে বেড়েই চলেছে ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা।

কিছু খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে এমন কিছু খাবারও আছে যা আপনাকে ক্যানসারের থেকে সুরক্ষা দেবে তাই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পথ বেঁছে নিচ্ছেন এখন অনেকেই। 

হেলথলাইনের এক প্রতিবেদনে চিকিৎসকরা এমন কয়েকটি খাবারের কথ বলেছে যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে দারুণ উপকার মিলবে।

এগুলো হলো- 

১. ব্রোকলি

ব্রোকলিতে সালফোরাফেন নামক একটি উদ্ভিদ-জাত উপাদান থাকে, যা ক্রুসিফেরাস বা বাঁধাকপি-গোত্রীয় সবজিতে পাওয়া যায় এবং এতে শক্তিশালী ক্যানসার প্রতিরোধী গুণ রয়েছে। ২০১০ সালে পরিচালিত একটি টেস্ট-টিউব গবেষণায় দেখা গেছে যে, সালফোরাফেন স্তন ক্যানসারের কোষের আকার ও সংখ্যা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিয়েছে।

একইভাবে, ২০০৪ সালে প্রাণীর ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইঁদুরকে সালফোরাফেন দিয়ে চিকিৎসা করার ফলে প্রোস্টেট ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস হয়েছে এবং টিউমারের আয়তন ৫০ শতাংশের বেশি কমেছে। কিছু গবেষণায় এও দেখা গেছে যে, ব্রোকলির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি বেশি পরিমাণে খাওয়ার সাথে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক থাকতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় ব্রোকলি রাখতে পারেন।

 

২. গাজর

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে গাজর খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। ২০১৫ সালে করা একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত গাজর খেলে পেটের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায় প্রায় ২৬ শতাংশ। গবেষণার আরেকটি পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, গাজর বেশি পরিমাণে খেলে প্রোস্টেট ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ১৮ শতাংশ কম থাকে।

১৯৮৬ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ও আক্রান্ত নন এমন ১,২৬৬ জন অংশগ্রহণকারীর খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। গবেষকরা দেখেছেন, যারা ধূমপান করেন অথচ গাজর খান না, তাদের ফুসফুসের ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা তাদের তুলনায় তিন গুণ বেশি যারা সপ্তাহে অন্তত একবার গাজর খান। আর সে কারণেই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় গাজর রাখতে পারেন। এট আআপ্নার ত্বকের জন্য ভালো পাশাপাশি ক্যানসারের সুরক্ষা দিতে পারে।

 

৩. শিম জাতীয় খাবার

শিম ও বিভিন্ন ধরনের বিনজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার রয়েছে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ফাইবার কোলোরেক্টাল ক্যানসার বা বৃহদান্ত্র ও মলাশয়ের ক্যানসার থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। ২০০৬ সালের একটি গবেষণায় কোলোরেক্টাল টিউমারের ইতিহাস রয়েছে, এমন ১ হাজার ৯০৫ জনকে পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকেরা। এতে দেখা যায়, যাঁরা বেশি পরিমাণে রান্না করা শুকনা বিন খেয়েছেন, তাদের টিউমার পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম ছিল।

২০০২ সালের আরেকটি প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় ইঁদুরকে কালো বিন ও নেভি বিন খাওয়ানোর পর তাদের শরীরে কোলন ক্যানসার সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এতে দেখা যায়, বিনজাতীয় খাবার ক্যানসার কোষের বিকাশ সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরোধ করতে পারে।

৪. বেরিজাতীয় ফল

ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি, রাস্পবেরি ও স্ট্রবেরির মতো বেরিজাতীয় ফলে প্রচুর অ্যান্থোসায়ানিন থাকে। এটি একধরনের উদ্ভিজ্জ রঞ্জক, যার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব উপাদান ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। একটি ছোট গবেষণায় কোলোরেক্টাল ক্যানসারে আক্রান্ত ২৫ জনকে সাত দিন বিলবেরি নির্যাস দেওয়া হয়। এতে তাঁদের ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ৭ শতাংশ কমতে দেখা যায়।

অন্য একটি ছোট গবেষণায় মুখের ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হিমায়িত ও শুকনো ব্ল্যাক রাস্পবেরির গুঁড়া দেওয়া হয়। এতে ক্যানসারের অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি সূচকের মাত্রা কমে আসে। ২০০১ সালের একটি প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, ইঁদুরকে হিমায়িত ও শুকনো ব্ল্যাক রাস্পবেরি খাওয়ালে খাদ্যনালির টিউমার হওয়ার হার সর্বোচ্চ ৫৪ শতাংশ কমে। একই সঙ্গে টিউমারের সংখ্যাও সর্বোচ্চ ৬২ শতাংশ কমতে দেখা যায়।

৫. দারুচিনি

রক্তে শর্করার মাত্রা কমানো এবং প্রদাহ প্রশমনের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্য দারুচিনি পরিচিত। পরীক্ষাগার ও প্রাণীর ওপর পরিচালিত কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দারুচিনি ক্যানসার কোষের বিস্তার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে। ২০১০ সালের একটি গবেষণায় পরীক্ষাগার ও প্রাণীর ওপর দারুচিনির নির্যাসের প্রভাব পরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা যায়, দারুচিনির নির্যাস ক্যানসার কোষের বিস্তার কমিয়েছে এবং কোষগুলোর মৃত্যু ঘটাতে সহায়তা করেছে।

অন্য একটি পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, দারুচিনির অপরিহার্য তেল মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি দমন করেছে এবং টিউমারের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। প্রতিদিন আধা থেকে এক চা-চামচ বা দুই থেকে চার গ্রাম দারুচিনি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমানো ও প্রদাহ প্রশমনের মতো অন্যান্য উপকারিতাও দিতে পারে।

৬. বাদাম

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বাদাম খাওয়ার সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৫ সালের একটি গবেষণায় ১৯ হাজার ৩৮৬ জনের খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করেন গবেষকেরা। এতে দেখা যায়, যারা বেশি পরিমাণে বাদাম খেয়েছেন, তাঁদের ক্যানসারে মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলক কম ছিল। একই বছরের আরেকটি পর্যালোচনায় ৩০ হাজার ৭০৮ জনের ওপর পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণার ফল বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, নিয়মিত বাদাম খাওয়ার সঙ্গে কোলোরেক্টাল, অগ্ন্যাশয় ও জরায়ুর আবরণী ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে।

৭. জলপাইয়ের তেল

জলপাইয়ের তেলে বা অলিভ ওয়েলে রয়েছে নানা স্বাস্থ্যকর উপাদান। ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম প্রধান উপকরণ এটি। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাইয়ের তেল বেশি খাওয়ার সঙ্গে ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। ২০১১ সালের ১৯টি গবেষণার একটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, যাঁরা সবচেয়ে বেশি জলপাইয়ের তেল খান, তাঁদের স্তন ও পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি তুলনামূলক কম।

২০০০ সালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় বিশ্বের ২৮টি দেশের ক্যানসারের হার বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, যেসব অঞ্চলে জলপাইয়ের তেল খাওয়ার প্রবণতা বেশি, সেখানে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের হার তুলনামূলক কম।

৮. লেবুজাতীয় ফল

লেবু, বাতাবি লেবু, জাম্বুরা ও কমলার মতো লেবুজাতীয় ফল খাওয়ার সঙ্গে ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে বিভিন্ন গবেষণায়। ২০১০ সালের একটি বড় গবেষণায় দেখা যায়, যাঁরা বেশি পরিমাণে লেবুজাতীয় ফল খান, তাঁদের পরিপাকতন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশের ক্যানসারের ঝুঁকি তুলনামূলক কম। ২০০৯ সালের নয়টি গবেষণার একটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেবুজাতীয় ফল বেশি খাওয়ার সঙ্গে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে।

৯. তিসিবীজ

তিসিবীজে প্রচুর ফাইবার ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী চর্বি রয়েছে। পুষ্টিকর এই বীজ খাদ্যতালিকায় রাখলে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে। ২০০৫ সালের একটি গবেষণায় স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত ৩২ জন নারীকে এক মাসের বেশি সময় ধরে প্রতিদিন তিসিবীজের মাফিন অথবা প্লাসিবো দেওয়া হয়। গবেষণার শেষে দেখা যায়, তিসিবীজ খাওয়া নারীদের শরীরে টিউমারের বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি সূচকের মাত্রা কমেছে। একই সঙ্গে ক্যানসার কোষের মৃত্যুর হার বেড়েছে।

২০০৮ সালের আরেকটি গবেষণায় প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত পুরুষদের ক্ষেত্রে তিসিবীজ ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ও বিস্তার কমাতে পারে বলে দেখা যায়। এ ছাড়া তিসিবীজে থাকা ফাইবার কোলোরেক্টাল ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়ক হতে পারে। ক্যানসারের সুরক্ষার কথা ভেবে প্রতিদিন এক টেবিল-চামচ বা প্রায় ১০ গ্রাম গুঁড়া তিসিবীজ স্মুদি, দই, সিরিয়াল কিংবা বিভিন্ন বেক করা খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

১০. টমেটো

টমেটোতে থাকা লাইকোপিন নামের একটি প্রাকৃতিক উপাদান এর উজ্জ্বল লাল রঙের জন্য দায়ী। এই উপাদানের ক্যানসারবিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, টমেটো ও লাইকোপিন বেশি খাওয়ার সঙ্গে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৩ সালের ১৭টি গবেষণার একটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, কাঁচা টমেটো, রান্না করা টমেটো এবং লাইকোপিন বেশি খাওয়ার সঙ্গে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে।

২০০২ সালের একটি গবেষণায় ৪৭ হাজার ৩৬৫ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, বিশেষ করে টমেটোর সস বেশি খাওয়ার সঙ্গে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। খাদ্যতালিকায় টমেটোর পরিমাণ বাড়াতে প্রতিদিন এক থেকে দুই পরিবেশন টমেটো খাওয়া যেতে পারে। স্যান্ডউইচ, সালাদ, সস কিংবা পাস্তার সঙ্গে টমেটো যোগ করা যায়।

১১. রসুন

রসুনের সক্রিয় উপাদান অ্যালিসিন। পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় এই উপাদান ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে পারে বলে দেখা গেছে। বিভিন্ন গবেষণায় রসুন খাওয়ার সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। ২০১১ সালের একটি পর্যালোচনায় ৫ লাখ ৪৩ হাজার ২২০ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, যারা রসুন, পেঁয়াজ, পেঁয়াজপাতা ও শ্যালটের মতো অ্যালিয়াম গোত্রের সবজি বেশি খান, তাঁদের পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকি এসব খাবার কম খাওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় কম।

১২. চর্বিযুক্ত মাছ

সপ্তাহে কয়েকবার মাছ খাওয়া ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে। ১৯৯৯ সালের একটি বড় গবেষণায় মাছ বেশি খাওয়ার সঙ্গে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক পাওয়া যায়। ২০০৫ সালে ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪০ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, যাঁরা বেশি মাছ খান, তাঁদের কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কম। অন্যদিকে, লাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ার সঙ্গে এ ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক পাওয়া যায়।

বিশেষ করে স্যামন, ম্যাকারেল ও অ্যাঙ্কোভির মতো চর্বিযুক্ত মাছে ভিটামিন ডি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। প্রতিদিনের পুষ্টি আর ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পেতে নিয়মিত চর্বিযুক্ত মাছ খেতে পারেন।

ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। এই অবস্থায় সচেতনতা দরকার। পুষ্টিকর খাবার আর স্বাস্থ্যকর খ্যাদ্যাভ্যাস আমাদের ক্যানসারের পাশাপাশি বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে বলছেন চিকিৎসকরা। তাই আজ থেকেই নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সচেতন হন।

এ ক্যাটাগরীর অন্যান্য খবর..