1. admin@anews24.tv : ANEWS24 TV : ANEWS24 TV
প্রাথমিকের শিক্ষকরা এখনো তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী - ANEWS24
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ফতুল্লায় সংবাদ প্রকাশের জেরে: সাংবাদিক রাসেল কে হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কখন পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন, জানালেন ইশরাক লালমনিরহাট সীমান্তে ১৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি মেট্রো রেলের প্যাকেজ-৩ চলতি মাসে চার স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে : নেহা বোরা

প্রাথমিকের শিক্ষকরা এখনো তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত
স্নাতক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা এখনো তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় তারা ১৪তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলে ১৩তম গ্রেডে বেতন পান।

অথচ সরকারি অন্যান্য চাকরিতে স্নাতক বা সমমানের যোগ্যতা চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট পদ সাধারণত দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা পায়। এ বৈষম্য নিয়ে দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। 

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬। এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো : পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা উন্নয়ন ও আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনে ৬০ বছরের অঙ্গীকার’।

শিক্ষকতার মর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে নানা আলোচনা হলেও প্রাথমিকের শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও বেতন নিয়ে দীর্ঘদিনের দাবি এখনো পূরণ হয়নি।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহাবুবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকারি অন্য যেসব চাকরিতে স্নাতক বা সমমানের যোগ্যতা চাওয়া হয়, তাঁরা ১০ম গ্রেড পাচ্ছেন। তাহলে আমাদের কী দোষ? এ জন্যই মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসতে চান না।

 

তিনি বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে কেন একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদা পাবেন? বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রের অনুধাবন করা উচিত।’

শিক্ষকদের পদমর্যাদার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ নিয়েও দেশে বড় ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০ দশমিক ৫২ শতাংশ শিক্ষক প্রশিক্ষণের বাইরে ছিলেন। মাদরাসা শিক্ষায় প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার আরো কম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষকতার পেশাগত মর্যাদা বাড়াতে যোগ্যতা অনুযায়ী পদমর্যাদা ও বেতন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়োগের আগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

বিশ্বের অনেক দেশেই পেশাগত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষক সনদ অর্জনের পর শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

এদিকে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘মাধ্যমিক শিক্ষায় শিখন ত্বরান্বিতকরণ’ (লেইস) প্রকল্পের আওতায় তিন লাখ ৬৭ হাজার ৪৯০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রশিক্ষণ ফাউন্ডেশন কোর্স নয়।

এ ক্যাটাগরীর অন্যান্য খবর..