
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬। এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো : পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা উন্নয়ন ও আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনে ৬০ বছরের অঙ্গীকার’।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহাবুবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকারি অন্য যেসব চাকরিতে স্নাতক বা সমমানের যোগ্যতা চাওয়া হয়, তাঁরা ১০ম গ্রেড পাচ্ছেন। তাহলে আমাদের কী দোষ? এ জন্যই মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসতে চান না।
তিনি বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে কেন একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদা পাবেন? বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রের অনুধাবন করা উচিত।’
শিক্ষকদের পদমর্যাদার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ নিয়েও দেশে বড় ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০ দশমিক ৫২ শতাংশ শিক্ষক প্রশিক্ষণের বাইরে ছিলেন। মাদরাসা শিক্ষায় প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার আরো কম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষকতার পেশাগত মর্যাদা বাড়াতে যোগ্যতা অনুযায়ী পদমর্যাদা ও বেতন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়োগের আগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
এদিকে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘মাধ্যমিক শিক্ষায় শিখন ত্বরান্বিতকরণ’ (লেইস) প্রকল্পের আওতায় তিন লাখ ৬৭ হাজার ৪৯০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রশিক্ষণ ফাউন্ডেশন কোর্স নয়।