1. admin@anews24.tv : ANEWS24 TV : ANEWS24 TV
গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি রেস্তোরাঁ মালিকদের - ANEWS24
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ফতুল্লায় সংবাদ প্রকাশের জেরে: সাংবাদিক রাসেল কে হত্যার হুমকি থানায় অভিযোগ আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কখন পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন, জানালেন ইশরাক লালমনিরহাট সীমান্তে ১৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি মেট্রো রেলের প্যাকেজ-৩ চলতি মাসে চার স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে : নেহা বোরা

গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি রেস্তোরাঁ মালিকদের

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত

দেশের রেস্তোরাঁ খাতের চাহিদা পূরণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে দেশের বাজারে গরুর মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। একই সঙ্গে চাহিদার তুলনায় সরবরাহও কম।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনের ফার্স হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এতে সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান লিখিত বক্তব্য দেন।

লিখিত বক্তব্যে ইমরান হাসান বলেন, বর্তমানে নগরভিত্তিক রেস্তোরাঁগুলোতে উচ্চমানের ও নিরবচ্ছিন্ন গরুর মাংসের সরবরাহ নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে গরুর মাংস ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অথচ চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অত্যন্ত নগণ্য।

তিনি বলেন, রেস্তোরাঁ খাতের মতো গবাদিপশু পালনও করপোরেট পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। এর ফলে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। পাশাপাশি গো-খাদ্যের বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে, যার প্রভাব গ্রামাঞ্চলে গবাদিপশু পালনের ওপর মারাত্মকভাবে পড়েছে। এতে অনেক এলাকায় গবাদিপশু পালন প্রায় বন্ধের পথে।

সংগঠনটির মহাসচিব বলেন, এ পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট নীতিমালা ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে সীমিত আকারে গরুর মাংস আমদানির সুযোগ তৈরি করা হলে বাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দাম নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যের মান উন্নয়ন এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা মনে করেন, গরুর মাংসের সরবরাহ বাড়ানো গেলে রেস্তোরাঁ খাতের সংকটও কিছুটা কমবে। কারণ মাংসের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকটের কারণে অনেক রেস্তোরাঁকে অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে যার প্রভাব পড়ছে খাবারের দামের ওপর।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসেও বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি গরুর মাংস আমদানির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। তখন সংগঠনটি জানিয়েছিল, দেশের বাজারে গরুর মাংসের দাম তুলনামূলক বেশি এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।

এ ক্যাটাগরীর অন্যান্য খবর..